মঙ্গলবার , মে 23 2017
হেরে গেলো বাংলাদেশ

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে হেরে গেলো বাংলাদেশ

বুধবার জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ২৭৭ রান। ২৭৮ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ১৩ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষে পৌঁছেযায় ইংল্যান্ড।

টানা দুই বছর পর ওয়ানডে সিরিজ হেরে গেলো বাংলাদেশ। যার জাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালে আর সমাপ্তি হল ২০১৬ সালের অক্টোবরে এসে।

দ্বিতীয় ইনিংসে ২৭৮ রানের লক্ষ তাড়া করতে নেমে জেমস ভিন্স ও স্যাম বিলিংসের ৬৩ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ভালো সূচনা করে সফরকারীরা। নাসিরের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পরে ৩২ রান করেই সাঁজ ঘরের পথ ধরেন ভিন্স। এর পরে বেন ডাকেটের সঙ্গে দ্বিতীয় জুটিতেও আসে ৬৪ রান। স্যাম বিলিংসের অর্ধশতক করে মুসাদ্দেকের বলে কায়েসের কাছে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান।

তৃতীয় উইকেটের জুটি, জলে উঠতে শুরু করলে সফিউল্লাহ এসে পর পর দুটি ওভারেই ইংলিশ শিবিরে আঘাত হানে জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখেন। ডাকেট ফিরে জাবার আগে দলকে দিয়ে যান ৬৮ বলে ৪ টি চার ও ১ টি ছক্কায় গড়া মূল্যবান ৬৩ রান।

এরপরে খেলার হাল ধরেন  বেন স্টোকস ও জস বাটলার। প্রথমে বাটলার এবং পরে মইন আলিকেও সাঁজ ঘরের পথ দেখান অধিনায়ক মাশরাফি। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হয়নি টাইগারদের।  ক্রিস ওকস ও বেন স্টোকসের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৪ উইকেটে জয় পায় সফরকারীরা।

মাশরাফি ও সফিউল ২ টি করে উইকেট নিয়েছেন।

এর আগে তামিম-ইমরুলের ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেরা উদ্বোধনী জুটিতে শুভ সুচনা করে বাংলাদেশ। বিপদজনক হয়ে উঠা ৮০ রানের জুটি ভাঙ্গেন  স্টোকস । ইমরুল ৫৮ বলে ৪৬ রান করে সাঁজ ঘরের পথ ধরেন। এরপর তামিম-সাব্বিরের জুটিতে ১০০ রান স্পর্শ করে টাইগাররা। কিন্তু সেই জুটিও বেশিক্ষুন স্থায়ী হয়নি। রশিদের বলে ক্যাচ আউট হয়ে ৪৫ রানে সাঁঝ ঘরের পথ ধরেন তামিম। তার পরেই মাহমুদুল্লাহ এসে রশিদের বলে ছক্কা মেরে দ্বিতীয় বলেই ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলে কিছুটা চাপের মুখে পরে যায় স্বাগতিকরা।

সাব্বির-মুসফিকের জুটিতে ভালো সংগ্রহের দিকেই ছুটতে থাকে বাংলাদেশ। কিন্তু রশিদের বলে ৪৯ রানে ক্যাচ আউট হয়ে সাব্বিরও সাঁজ ঘরের পথ ধরেন। এরপরে সাকিব ও নাসিরও অল্প সময়ের মধ্যে ফিরে গেলে ৩০০ রানের স্কোর থেকে সরে যেতে থাকে টাইগাররা। পরবর্তীতে মুসফিক-মসাদ্দেকের নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিংয়ে ৭৫ রানের জুটিতে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ২৭৭ রান।

মুসফিক ৬২ বলে ৪ টি চা ও ১ টি ছক্কায় ৬৭ এবং মসাদ্দেক ৩৯ বলে ৪ টি চারে ৩৮ রান করে অপরাজিত থকেন।

প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ওয়ানডে ক্রিকেটে তামিমের ঝুলিতে জমা হয়েছে ৫০০০ রান এবং বাংলাদেশী হিসেবে ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উকেট শিকারির তালিকায় সাকিব-মাশরাফির স্কোর সমান। তার দুজনেই ২১৫ টি করে উইকেট নিয়েছেন।

রশিদ ১০ ওভার বল করে ৪৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন।

ম্যাচ সেরা = রশিদ

সিরিজ সেরা = বেন স্টোকস

Check Also

মেসির জাদুকরী ফুটবলে মুগ্ধ সবাই

মেসির জাদুকরী ফুটবলে মুগ্ধ সবাই

২০১৬ সালটা দুর্দান্ত কেটেছে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। কারন চ্যাম্পিয়ন লিগের পর ইউরোর …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

ten − 10 =