বুধবার , মার্চ 22 2017
আকিব জাবেদ

বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় চার পেসার

বাংলাদেশের তরুন পেসারদের নিয়ে এক সপ্তাহের জন্য শুরু হয়েছিল বিসিবি হাইপারফরম্যান্স ইউনিটের বোলিং ক্যাম্প। এই ক্যাম্পে পরামর্শক হিসেবে ছিলেন এক সময়ের সুনাম ধন্য পেস বলার পাকিস্তানের আকিব জাবেদ। ৭ দিনের এই পরামর্শক ক্যাম্প শেষ হয়েছে গতকাল। এই ক্যাম্পে আকিব জাবেদ এইচপির ১৭ এবং জাতীয় দলের ৮ পেসার নিয়ে কাজ করেছেন।

আকিব জাবেদ ক্যাম্প শেষে সংবাদ কর্মীদের বলেন,

“আগামীতে বাংলাদেশ ক্রিকেটে পেস বোলিংয়ে প্রতিনিধিত্ব করবে সম্ভাবনাময় ৪ বলার। আর তারা হল আবু জায়েদ, আবুল হাসান, আবু হায়দার এবং ইবাদত হোসেন চৌধুরী”।

তিনি পেস বলারদের সম্পর্কে বলেন,

“আবুল হাসানের অনেক সম্বাভনা রয়েছে, এতে কোন দ্বিধা নেই। তার আত্মবিশ্বাসের অনেক ঘাটতি আছে। আবুলের বোলিং অ্যাকশন এবং শারীরিক গঠন অনেক ভালো। তাকে সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এছাড়াও আবু জায়েদ ও আবু হায়দার সম্ভাবনাময় পেস বলার। তাদের ভবিষ্যৎটা অনেক ভালো। দরকার শুধু একটু যত্নের”।

“তবে ইবাদত অনেক ভালো বলার। আমি তার বোলিং অ্যাকশনে সত্যি মুগ্ধ। তার মধ্যে আমি ইরফানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছি। ইরফানকে তুলে নিয়ে আসার সময় ও খুব দুর্বল এবং লিকলিকে পাতলা ছিল। ওকে তৈরি করতে আমাদের এক বছরের মত সময় লেগেছে। সে পর্যায় ক্রমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছে”।

“তাই ইবাদতের জন্য একটা ভালো সমর্থন প্রয়োজন। ওর ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে হবে। যদি ওর শারীরিক গঠন ঠিক করা যায়, তবেই সে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের ফাস্ট বলারদের প্রতিনিধিত্ব করবে। বর্তমানে ইবাদত ১৩৮-১৩৯.৯ কিমি গতিতে বল করে। শুনলাম সে আর্মিতে আছে। এখানে ক্যাম্প শেষ হলে আবার তাকে ফিরে যেতে হবে। বিসিবির উচিৎ ওকে কোন চুক্তিতে নিয়ে আসা বা ক্রিকেট সম্পর্কিত কোন কাজ দেওয়া।  বাংলাদেশে সহজাত ফাস্ট বলার পাওয়া খুব কঠিন। ওর প্রতিভা আছে। ওকে কাজে লাগানো উচিৎ”।

ইবাদত তার অনুভূতি পরকাশ করতে গিয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন,

“আমি বিমান বাহিনীতে কর্মরত আছি। তারা শুরু থেকে আমাকে সহযোগিতা করেছে। এখানে এসে ৮-৯ সপ্তাহ কাজ করে মনে হচ্ছে, ক্রিকেটের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে হবে। আমার বিশ্বাস এয়ারফোর্স আমাকে সহযোগিতা করবে। আমি এখান থেকে একটা চিঠি নিয়ে যাব, যাতে আমি নিয়মিত হতে পারি এবং আমার শারীরিক গঠন নিয়ে কাজ করতে পারি”।

এর আগে রবি ফাস্ট বোলিং হান্টের ক্যাম্প থেকে দ্রুতগতির বলার হিসেবে নির্বাচিত হন মৌলভীবাজারের ছেলে ইবাদত। তিনি ২০১৪ সালে ঢাকার প্রথম বিভাগ ক্রিকেটে সিটি ক্লাবের হয়ে খেলেছিলেন।

Check Also

চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ

রোনালদোর ভেলায় চড়ে ক্লাব বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ

খেলার শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলেছে অনভিজ্ঞ ক্লাব কাশিমা অ্যান্টলার্স। তবে শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতার কাছে পরাজয় …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

3 + 7 =