রবিবার , জানুয়ারী 22 2017
সাকিব-জ্যামাইকা

সাকিবের বোলিং ঝড়ে-ফাইনালে জ্যামাইকা

সিপিএলে ফাইনাল খেলার স্বপ্ন নিয়ে ত্রিনিবাগোর বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল সাকিবের জ্যামাইকা। ঝোড় ইনিংসে আন্দ্রে রাসেল শত রান করলেও সাকিবের বোলিং ঝড়েই ফাইনালে উঠার স্বপ্ন পুরন হয় জ্যামাইকার।

শনিবার সেন্ট কিটসের ওয়ার্নার পার্কে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে জ্যামাইকা। তারা নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেটে সংগ্রহ করে ১৯৫ রান।

দ্বিতীয় ইনিংসে ত্রিনিবাগো ১৯৫ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে বৃষ্টি ব্রিঘ্নিত ম্যাচে শুরুটা ভালো করতে পারেনি। তৃতীয় বারের মত বৃষ্টি শুরু হলে ত্রিনিবাগো স্কর দাঁড়ায় ৩ ওভারে ১ উইকেটে ১৮ রানে। আবার খেলা শুরু হলে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে তাদের টার্গেট দাঁড়ায় ১২ ওভারে ১৩০ রান। সে সময় তাদের হাতে রয়েছিল মাত্র ৯ ওভার।

সাকিব যখন বোলিংয়ে আসেন তখন তাদের প্রয়োজন ছিল ২৪ বলে ৬৩ রান। হাতে ছিল ৮ উইকেট। সেই ওভারে ১২ রান দিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় সাকিবকে। পরের ওভারে যখন বল করতে আসেন তখন প্রয়োজন ছিল ২ ওভারে ৪০ রান।  প্রথম বলেই হাশিম আমলা ৪ হাকালেও পরের বলে স্টাম্পড হয়ে সাঁজ ঘরের পথ ধরেন। ক্রিজে এসেই সাকিবের তৃতীয় বলে  ছক্কা হাঁকান সুনিল নারাইন। পরের বলেই ক্যাচ দিয়ে ফিরে জান তিনি এবং শেষ বলে ডোয়াইন ব্রাভো ক্যাচ দিয়ে সাঁজ ঘরের পথ ধরলে জয়টা প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় জ্যামাইকার। পরবর্তীতে ত্রিনিবাগো ১২ ওভারে ৭ উইকেটে ১১০ রান করলে ২০ রানে জিতে যায় জ্যামাইকা।

কলিন মানরোর ৩৮ এবং হাশিম আমলা ৩৭ রান করেন।

প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুটা ভালো করলেও টিকে থাকতে পারেনি ক্রিস গেইল। ২৬ বলে ৩৫ রান করে সাঁজ ঘরের পথ ধরেন ক্রিস গেইল। ৬৭ রানে ৪ উইকেট পরে গেলে কিছুটা বিপাকে পরে জ্যামাইকা। এসময় দলের হাল ধরেন রাসেল ও সাকিব। তাদের জুটিতে আসে মূল্যবান ১০১ রান এবং রাসেলের ৪৪ বলে ১০০ রানের ঝড়ো ইনিংসে জ্যামাইকা সংগ্রহ করে ১৯৫ রান।

ক্যারিবিয়ান লিগের ফাইনালে গায়না আমাজন ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে মাঠে নামবে জ্যামাইকা।

Check Also

চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ

রোনালদোর ভেলায় চড়ে ক্লাব বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ

খেলার শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলেছে অনভিজ্ঞ ক্লাব কাশিমা অ্যান্টলার্স। তবে শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতার কাছে পরাজয় …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

16 − one =