ঘুড়ে দাঁড়ালো টাইগাররা

ঘুরে দাঁড়ালো টাইগাররা

প্রথম ম্যাচের জয়টা হাতের মুঠো থেকে ফসকে গিয়েছিল টাইগারদের। সেই যায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে তাসকিন-মাশরাফির দুর্দান্ত বোলিংয়ে দ্বিতীয় ম্যাচেই ৩৪ রানের চমৎকার জয় পেল টাইগাররা।

ইংল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টসে হেরে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ব্যাটিংয়ে নামে মাশরাফিরা। টপ অর্ডারদের ব্যর্থতায় কাঁধে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মাহমুদুল্লাহ। তার দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরি এবং মাশারাফির ঝড়ো ইনিংসে ৮ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ১৩৮ রান।

দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড শিবিরে শুরুতেই টপ অর্ডারের ধস নামান মাশরাফি ও সাকিব। মাশরাফি ভিন্স, জেসন রয় ও বেন স্টোককে এবং সাকিব সরাসরি বেন ডাকেটকে বোল্ড করেন।

২৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ড বিপাকে পরলেও  বেয়ারস্টো-বাটলারের জুটিতে আবারো ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে সফর কারীরা। ২৪ তম ওভারে বল করতে এসে দুর্দান্ত এই জুটির ধস নামান তাসকিন। তারপরেই রানের ছন্দে থাকা বাটলারকেও সাঁজ ঘরের পথ দেখান তাসকিন এবং নাসিরের বলে সাব্বিরের কাছে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান মঈন আলী। তার পরে আবারো ইংল্যান্ড শিবিরে হানাদেন তাসকিন। এবার সাঁজ ঘরের পথ দেখান ক্রিস ওকসকে এবং ৩৯ তম ওভারে বল করতে এসে উইলিকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন মসাদ্দেক।

নবম উইকেটের জুটিতে রশিদ জ্যাক বল লজ্জাজনক হাড় এড়ানোর চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠে। সেই চেষ্টাতেও ব্যর্থ হয় সফর কারীরা। ৪৪.৪ ওভারে মাশরাফির বলে জ্যাক বল সাঁজ ঘরের পথ ধরলে ইংল্যান্ডের ইনিংস গুটিয়ে যায় ২০৪ রানে। ফলসরুফ ৩৪ রানের দুর্দান্ত জয় পায় স্বাগতিকরা।

মাশরাফি ৮.৪ ওভার বল করে ২৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট এবং তাসকিন ৮ ওভার বল করে ৪৭ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

এর আগে উদ্বোধনী জুটিতে ইংল্যান্ডের দুর্দান্ত বোলিয়ে সপ্তম ওভারেই ওকসের বলে ক্যাচ আউট হয়ে সাঁজ ঘরের পথ ধরেন ইমরুল কায়েস এবং নবম ওভারে ওকসের বলে আলির হাতে ক্যাচআউট হন ওপেনার তামিম। জ্যাকের বলে সাব্বিরও সাঁজ ঘরের পথ ধরলে ম্যাচের হাল ধরেন মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহ। জ্যাক বল এর বলে মুশফিক ক্যাচ আউট এবং দলিও ১১৩ রানে ২৮ তম ওভারে সাকিবও আউট হয়েগেলে বড় স্কোর সংগ্রহের স্বপ্ন ফিকে হওয়া যায় বাংলাদেশের।

সেই নড়বরে যায়গা থেকে মাহমুদুল্লা ও মসাদ্দেকের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে টাইগাররা। দলিও ১৬১ রানে আদিল রশিদের বলে এলবিডব্লিউর শিকার হন মাহমুদুল্লাহ। ফিরে জাবার আগে দলকে দিয়ে যান মূল্যবান ৭৫ রান। এরপরে মসাদ্দেকুও রশিদের শিকার হন।

এরপরে অধিনায়ক মাশরাফি ক্রিজে এসে নাসিরের সাথে জুটি গড়েন। মাশরাফির ঝড়ো ইনিংসেই ভালো স্কোরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। শেষ ওভারের পঞ্চম বলে ফিরে জাবার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২৯ বলে ৪৪ রান এবং শুন্য রানে আউট হন শফিউল্লাহ। নাসির ২৭ বলে ২৭ রান করে অপরাজিত থাকেন।

ক্রিস ওকস, আদিল রশিদ ও জ্যাক বল ২ টি করে উইকেট নিয়েছেন।

ম্যাচ সেরা = অধিনায়ক মাশরাফি।

 

Check Also

মেসির জাদুকরী ফুটবলে মুগ্ধ সবাই

মেসির জাদুকরী ফুটবলে মুগ্ধ সবাই

২০১৬ সালটা দুর্দান্ত কেটেছে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। কারন চ্যাম্পিয়ন লিগের পর ইউরোর …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 × 3 =